কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস

কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালসঃ

৪০তম বিসিএসঃ

নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে- Touch sreen

মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়- OCR

৩৮তম বিসিএসঃ

ডিক্স প্রাগমেন্টেশন ব্যবহৃত হয়- ডিস্কের ফাইলগুলোকে পূর্ণবিন্যস্ত করতে

ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম কি- Firmware

কোন ধরনের Bus ব্যবহৃত হয় না- input reader bus

৩৭তম বিসিএসঃ

নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস- OMR

কম্পিউটার সিপিইউ এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করেন- ALU

৩৬তম বিসিএসঃ

মোবাইল ফোনের কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়- power supply

Plotter কোন ধরনের ডিভাইস- আউটপুট

নিচের কোন মেমোরি টি non-volatile – Rom

নিচের কোনটি সঠিক- ১কিলোবাইট= ১০২৪ বাইক

নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি- RAM

৩৫তম বিসিএস-

কম্পিউটার সিস্টেমে স্ক্যানার একটি কোন ধরনের যন্ত্র- ইনপুট

কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় কি দিয়ে- সিলিকন

কম্পিউটার মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে কি বলেন- Read

MICR এর পূর্ণরূপ কি- Magnetic Ink Character Reader

প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কোথায় থাকে- RAM

সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ থাকে  ২টি।

কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান কাজ – ৪টি

IPOS Cycle এ থাকে – Input, Processing, Output, Storage.

কম্পিউটারে সিস্টেম হলো – কতগুলো ইন্টিগ্রেটেড উপাদানের সম্মিলিত প্রয়াস।

কম্পিউটারের বাহ্যিক অবকাঠামো তৈরির জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র সামগ্রীকে বলে – হার্ডওয়্যার।

কোনো কম্পিউটার ব্যবস্থায় সকল ভৌত যন্ত্রপাতি ও ডিভাইস, কীবোর্ড, প্রিন্টার,।

মনিটর ইত্যাদিকে একত্রে বলে – হার্ডওয়্যার বা যান্ত্রিক সরঞ্জাম

হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় – হার্ডওয়্যার।

হার্ডওয়্যার প্রাথমিকভাবে বিভক্ত – তিন ভাগ।

ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ – Keyboard, Mouse, Scanner, Joystick, Disk, Card.

Reader, Microphone, Digital Camera.

অাউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ – Monitor, Printer, Plotter, Speaker

কম্পিউটারের সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর সম্মিলিত রূপ ROM-BIOS কে বলে – ফার্মওয়্যার।

সফটওয়্যার বলতে বুঝায় – কোনো নির্দিষ্ট কম্পিউটারের সকল ধরণের প্রোগ্রামকে।

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে – সফটওয়্যার।

বর্তমানে কম্পিউটার সিস্টেমের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অংশ – সফটওয়্যার।

সফটওয়্যার – দুই ধরণের। যথা: সিস্টেম সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ।

অ্যারিথমেথিক লজিক ইউনিট, কন্ট্রোল ইউনিট ও মেমোরিকে একত্রে বলা হয় – সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।

ইনপুট ইউনিট :

কম্পিউটারের সাহায্যে কোন কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রথমে কম্পিউটারকে।

ঐ কাজের তথ্য প্রদান করতে হয়, কম্পিউটার দেয়া এ তথ্যই হচ্ছে – ইনপুট।

কম্পিউটারে ইনপুট প্রদানের জন্য অনেক রকম যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, এসব যন্ত্রকে বলা হয় – ইনপুট ডিভাইস।

ইনপুট ডিভাইস – ডেটা ও ইন্সট্রাকশন গ্রহণ করে।

কী বোর্ড :

বর্তমানে প্রচলিত কীবোর্ডগুলোতে কী থাকে –১০২- ১০৫ টি।

কী বোর্ডকে বলা হয় – Console

কী বোর্ড হলো – একটি ধীরগতির ইনপুট ব্যবস্থা।

কী বোর্ডে কী এর ধরণগুলো হলো – ফাংশন কী, অালফা নিউমেরিক কী, নিউমেরিক কী, মডিফায়ার কী, কার্সর মুভমেন্ট কী।

কী বোর্ডে ফাংশন কী রয়েছে – ১২ টি। F1,F2,F3,F4,F5,F6,F7,F8,F9,F10,F11,F12,

তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ব্যবহার করা হয় – ফাংশন কী।

কী বোর্ডের যে অংশ টাইপ রাইটারের মতো বর্ণ এবং নম্বর দিয়ে সাজানো থাকে,।

সেই অংশকে বলে – অালফা নিউমেরিক কী। A, B, C,…..Z, 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9

কী বোর্ডে সংখ্যা সূচক কী রয়েছে -১৭ টি।

কী বোর্ডে মডিফায়ার কীগুলো হলো – শিফট, অপশন, কমান্ড, কন্ট্রোল, অল্টার।

কী বোর্ডে কার্সর মুভমেন্ট কী থাকে – ৪ টি।

সাধারণ কী বিন্যাসকে বলা হয় – QWERTY

কী বোর্ড প্রত্যেকটি কী’র অনন্য কোর্ড অাছে যাকে বলা হয় – স্ক্যান কোড।

মাউস :

মাউস আবিষ্কার করেন – ডগলাস এঞ্জবার্ট মার্ডস (১৯৬৩ সালে)

মাউস সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয় – মেকিস্টোস কম্পিউটারে (১৯৮৪ সালে)

মাউস হলো – হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।

কোন ছবি, আইকন বা উইন্ডোকে সিলেক্ট করে মাউসের বাম বাটন চেপে ধরে টেনে আনাকে বলা হয় – ড্র্যাগ বা ড্র্যাগিং।

স্ক্যানার :

স্ক্যানার হলো – একটি আধুনিকতম ইনপুট যন্ত্র।

স্ক্যানারের সাহায্যে – ছবি, লেখা ইত্যাদি সরাসরি কম্পিউটারে প্রেরণ করা হয়।

আমাদের দেশে যে সকল স্ক্যানার ব্যবহার করা হয় সাধারণত পরিচিত – ফ্লাটব্লেড অপটিক্যাল স্ক্যানার হিসেবে।

লাইটপেন :

লাইটপেন দেখতে – অনেকটা কলমের মতো, এজন্য এটির নাম দেয়া হয়েছে লাইট পেন।

গ্রাফিক্স ট্যাবলেট :

গ্রাফিক্স ট্যবলেট হলো – কার্যত মাউসের বিকল্পযন্ত্র।

গ্রাফিক্স ট্যাবলেট দেখতে – অনেকটা পেন্সিলের সিলেটের মতো।

ওয়েবক্যাম :

ওয়েবক্যাম হলো – একটি ভিডিও ক্যামেরা, যা কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে – রিয়েল টাইম ইমেজ বা ভিডিও আদান প্রদান করে।

ওয়েবক্যাম এর মাধ্যমে – ইন্টারনেটে ভিডিও চ্যাটিং করা যায়।

জয়স্টিক :

জয়স্টিক হলো – আয়াতাকার বেসের উপর বসানো একটি দণ্ড।

জয়স্টিকের সাহায্যে কার্সরকে পর্দার উপর ইচ্ছামতো যে কোন জায়গায় সরানো যায়।

সেন্সর :

সেন্সর হলো – এমন এক ধরণের ডিভাইস যা কোনো সাংকেতকে চিহ্নিত করতে পারে।

সেন্সর গুলো – এক ধরণের ট্রান্সডিউসার।

সেন্সর এর উদাহরণগুলো হলো – লাইট সেন্সর, সাউন্ড সেন্সর, হিট সেন্সর, বায়োমেট্রিক টাইম ব্লক সেন্সর।

ওএমআর :

OMR এর পূর্ণরূপ – Optical Mark Reader/Recognition

ওএমঅার হলো – এমন একটি যন্ত্র যা পেন্সিল বা কালির দাগ বুঝতে পারে।

পেন্সিলের দাগ বোঝা যায় – পেন্সিলের সীসের উপাদান গ্রাফাইটের বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা বিচার করে।

কালির দাগ বোঝা যায় – কালির দাগের আলোর প্রতিফলন বিচার করে। ওএমআর ব্যবহার।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*